Monday, July 22, 2013

মায়াতরণী

 

না করি' হৃষ্টি ও তুষ্টির মান
জাগো প্রকাণ্ড মধুসূদন
নিহারীকা,
কান্দে জল্পাই বানানী
মাঠে-গোঠে ইডিপাল রামধেনু, শটিঝাড় -
জোছনীল পচনের আয়ত নৈকট্য -
কংক্রীট অভিধায় শিকার ও বিজয়োৎসব

 

 

...

 

শেষ প্যাগানিনি নামল যখন, ফের ভীষণ কালো
প্যাগানিনি, অলীক মুদ্রাকর,
সাবধান! সাবধান!
লালচাঁদ মিশে যায় দয়ানামে,   
সাবধান! ক্রোধী শাহজাদা অশ্বারূড় এইপানে ধায়!
সাবধান! ওরা তোমার দাঁড়ি ছিঁড়ে ফেলেছে,
উটের কঙ্কাল খুঁড়ে তুলে এনেছে গোরস্থানের পাশে,
যেথায় নীলকান্তপুর ছাড়িয়ে মেইন লাইন, তিন কিলোমিটার,
ফের ভ্যান রিকশায় পনেরো মিনিট বা হেঁটে সাড়ে উনিশ মিনিট
তথায় তেপান্তর
হৃদহাভাতের ঘর

 

হুঁশিয়ার, প্যাগানিনি!
হুঁশিয়ার, কলতাপী ক্রোমোসোম-ক্রুশ,
লীন হতে হতে চিৎকার ভেদ করে
কাছাকাছি অতীতের যে সকল প্রেত
তারা ক্রমে নিষ্প্রভ
গ্লাসডোর, মসৃণ,
জুনিপার আলোকিত প্রচ্ছন্ন কাছে।

 
I am ready to kill myself for this
I am ready to live for this.

...

 

লাইন লাইন চলে
লাইন লাইন, লোটাস-মৃগনাভী

 
Have you ever really been this close before? Can you go beyond that point?

A – Red

O – Rose

P – Pink

N – Skull

R – Rain


He remembers banana trees in mad moonlight sweeping past across endless dark spaces,
Dark enough for tugged heart of mind to swell up in fond folds
But not enough for death.
He remembers being happy and sad enough at that perfect moment
Since then everything had been all about fleeing.

 
আমরা তো র’য়ে যাবো ক্লীব আংরাখা
অহো ঝমঝমা, তম্বুরা-বাদক -
অম্ল কৃষ্ণপক্ষে,
মেদুর ও শৌচক্রোম্যাটিক

 
আমাদের ডিক্টাম-পৃষ্ঠা উড্ডী-উড্ডী কচ্ছপের চ্যাপ্টা বা ডিম্বাকার পৃথিবীর গর্ভে সেঁধিয়ে
ঠ্যালাঠেলি জমিতেছে, অন্ধ-অগ্রসেন
কুঁয়োর কষটা নিগুঢ়ে
ওই দ্যাখো ওড়ে মাস্তুল
ওড়ে প্রত্নাতীত হাড়গিলে।

 
সদাগর চলে সুখময়;
চুপিচুপি আলগা চ্ছ্বটার মতোন
শম্বুকের স্পর্ধানম্র প্রণতি,
নূতন আলোক প্রশস্তি।

 


 

 

এভাবেই এনে দিও ঢেউ-তুলসী-তিল
বাজিমাত কারখানা কম্পাউণ্ড জুড়ে উৎসব
হিম-হ্যালোজেন বনস্পতি পুরাতন শিকড়-বাকড়ে
ভাবো পর্যটন, ভাবো ম্যাহগনী প্যাঁচ-সুতো
জড়িয়ে জড়িয়ে পিঠে, বুকে
থলথলে সর্বস্ব বিরাম করে নাও
ম্রিয়মাণ হয়োনাকো অনুস্বর নদীটির পাশে,
পৃথিবীর অগুনন বুনটের কাছে
চাবড়া-পলেস্তারা-জরাসন্ধ-রা:
চার ভাষা – সকাল, বিকেল, সন্ধ্যে, রাত।
তিন-মুখ – বোধিসত্ত্ব, আমলকী ক্ষেত, আনত ক্রিস্তাবেল
দুই হাত – ডাইনে ও বাঁয়ে। 

 

...

 
রাক্ষস বেরিয়ে এলো বন থেকে
রাক্ষস লুণ্ঠিছে লুণ্ঠিছে।

 
 

Moving further back
The joy of winning, then,
Was the peak.
And sunshine would mostly be softly yellow from there.


 

 

সূচনার মত কিছু সুপাড়ির ঘন
সবুজের থেকে কালে নি’ছে শতদল।
তরাল জমাট হ’ছে, সেই সব কমনীয় নারীদের স্মিত
দয়াময় দরিয়ার ভাসো ঝলোমল
অ্যাখোনো স্তুপ-জাগা প্রাচীণ জড়
আঁধোয়ার দ্বিপ-ফুটে নি’চল নেহার
উহাদের ওমকুশুম, পুষ্ট শতদল ছিল
আনোন্দে অনাবিল ইস্কুলে।

 
আরো আগে লালমাছ, নীলমাছ
রাস্তার ভালোলাগা-টাগা।

 

...

 

গোরুবাছুর দাঁড়িয়ে আছে
চড়ুই পাখি বসছে গাছে
কম্লাধোয়া পুণ্যিপুকুর
তেলচিটে ঠায় লক্ষ্মীঠাকুর
ফুটকি ভরা রাতের কালো
থত্থরি খায় হোল্দে আলো
সকাল ছুঁয়ে বৃষ্টি হলো
পানকৌড়ি ডুবগি দিলো
নাচ্ছে দাদা নাচ্ছে দিদি
নাচ্ছে হাহা নাচ্ছে হিহি
নাচ্ছে ঘোড়া নাচ্ছে হাতি
ঝোপঝোপালির চড়ুইভাতি
সন্ধ্যে এবং কৃষ্ণচূড়ার
নিপাট ভালোবাসা
আকূল হয়্যা রসিক নাগর
ছন্দ কষি খাসা।

 

...

 

You give me love and rice, Mama Mercy,
There’s no one as beautiful as you.

 


 

 

  

  

 

      

 

 

 

2 comments:

দোলনচাঁপা said...

ভাল লেগেছে - ভাবছিলাম লাগবে না ! কিন্তু লেগে গেল :) বিশেষত এখান থেকে 'এভাবেই এনে দিও ঢেউ-তুলসী-তিল' - শেষ অবধি - দুর্দান্ত ! লিখে যাও।।

দোলনচাঁপা said...

'এভাবেই এনে দিও ঢেউ-তুলসী-তিল' থেকে শেষ অবধি বিশেষ করে ভাল লাগল।। Thanku পড়ানোর জন্য :) বেশ হয়েছে লেখাটা ~