Wednesday, July 26, 2017

naming names

fondly affectionate in equal measures towards all religion and war
as we roam the wilderness and dust, ever, universe-bound,
across all the roads of the world that bend towards our bodies,
our scars,
what name will you give
to these question marks, moonlit and stout,
that sweep softly along the dark brows of time?
and what name will you give to the banshee-child
that weeps softly by a secret little pond
where all the fishes, frogs and lilies have always known that all magic has ever been real?



Saturday, July 15, 2017

‘ফিরে এলো রসিক নাগর’ – জমজমাট পরিস্থিতি – সপরিবারে পাঠ করুণ


***
***
***

রসিক নাগর ফেরে পালটানো পথে।
বেরসিক নাগরিক কলা ব্যাচে রথে।।
ব্যাবিলনে ঘুঘুবনে ঘোরে হাহাকার।
বহি’ চলে অবিরাম বিষাদপাথার।।
পাথারে পাথর ভাসে, রসে ভাসে দেহ।
পঞ্চ প্রহরী তার চিনে কেহ কেহ।।
একদিন চিনে নেবে, জাপানেও নেবে।
আগুন গিয়েছে নিভে নগরী নিনেভে।।
নগরীর নটী অভিসারসহ কালের গর্ভে মিশি’। 
ভাঙনঘুমে ডুকরে ওঠে কাঙালপারা নিশি।।
আগুনে নিয়েছে কিছু, আঁধারেও আরো।
ইতিহাসে পাঁতিহাসে মিলি’ পোয়াবারো।। 
ভূমধ্যসাগরে যদি মধ্যম পথ। 
দেখিতেন বুদ্ধ তবে উড়ে যেতো রথ।। 
রথে চেপে শবরের মঠ লোঠে হিন্দু। 
হেরি’ছে এ’হ্যানো সীন বঙ্গনামা সিন্ধু।। 
কত কিছু ঘটি’ যায় মেদিনীর ধড়ে।
লাফাই’ উঠে উচ্চিংড়ে লাফায় কিছু ফড়ে।।
নানানজন নানানদিকে নানান কিছু ধরে।
টুঁটি ধরে চৈতন্যকাল মারণ-কামড়ে।।
পুলিশ ধরে মধ্যরাতে পেঁচোয় ধরে ভোরে।
আশমানময় নানানরঙা ধান্ধাঘুড়ি ওড়ে।।
জমিনময় সূত্রধরেরা লাটাই কষে ধরছে। 
সেই গুঁতোতেই আবাল কিছু কোল্যাটারাল মরছে।। 
রাখাল বালক বজ্রমুষ্ঠে ধরিয়া ধেনুর পুচ্ছ। 
নদীজলে বীর্য্য তাহার ঢালিছে গুচ্ছ গুচ্ছ।।
কারণ-অতীতে ডোম্বী-বীর্য্য টলাইলা চণ্ডালী। 
খরপর্বতে ডমরু বাজিলে নাচিবে কঙ্কালী।।
আজি যে বালক কাল সে যোগী ধরিয়া র’বে বিন্দু।
মাংসগল্পে কহিবে জাতক হইও সবার বন্ধু।।
জ্বলছে মাংস জ্বলিবে টায়ার জ্বলিতেছে গ্যাসোলীন। 
রহিবে রসিক চিরবিষাদী, রহিবে না আশাহীন।।



***
***
***

Thursday, July 6, 2017

নিশিথে


শেষরাতে পেলে কি তাকে, পেলে কি নিরঞ্জন? 
ঘরে চোর হয়ে ইঁদুর ঢোকে, নিশিথ ঢোকে বুকে
নানান মালঞ্চে তার ফণাফণা পড়ে আছে প্রেম, 
পড়ে আছে মায়াঘড়ি, অবলুপ্ত কড়িকাঠ-আদি 
পড়ে আছে, থাকবে বলে, বহু কাল হতে বহুতর 
কালান্তের পথে তার ধূসর চলিষ্ণু ছায়া, স্বপ্নের
মতো মরে যাওয়া, বেঁচে ওঠা জীবনের মতো - ভাসমান, 
এসো,
নানান রঙ্গে এসো, 
ভোর হলে, তেঁতুলের জঙ্গলে 
স্মরগরলে 
সবুজ আভার ভরে মায়াবী প্রজাপতি আসে, নিখাদ তৃপ্তির মতো,
অপার বন্দরে আসে, বহুকাল তৃষ্ণা কুড়োবে বলে খুদকুঁড়ো,
ব্রীজ বাঁধা শেষ হলে, যবে, ঘুমিয়ে পড়বে সবকটা কবি ও ফসল
তখন মানুষের কাছে আর কিই বা উষ্ণতা দেবে, ইছামতি, দাবানল?
বুকভরা জল কেটে অভিমান এঁকে যাও, সেই বুকে 
ঢুকবে নিশিথ
সেই জলে নামবে অতল কুমীর কিছু, স্মৃতির মতোই, 
অশ্রুমেয় - নামবে বলেই 
অপেক্ষমাণ, তটের কাছে, রাতের শেষে, 
কিরণ এলে, ছুঁলে কি তাকে? ছুঁলে কি নিরঞ্জন?